Red Sandalwood Tree লাল চন্দন গাছ

1,000.00৳ 

Details:

লাল চন্দন গাছের চারা। অত্যন্ত মূল্যবান ও বিরল এই গাছের কাঠ ঔষধি, প্রসাধনী ও আসবাবপত্র তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। টবে ও ছাদবাগানে ফলানোর জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সারা দেশে হোম ডেলিভারি।

Description

লাল চন্দন গাছ (রেড স্যান্ডেলউড / রেড স্যান্ডার্স) – Pterocarpus santalinus

বৈজ্ঞানিক নাম (Scientific Name): Pterocarpus santalinus | পরিবার (Family): Fabaceae | ইংরেজি নাম (English Name): Red Sandalwood, Red Sanders | অন্যান্য নাম (Other Names): লাল চন্দন, রক্তচন্দন, রক্ত চন্দন, Red Sanders | চারার উচ্চতা (Plant Height): ৬০-৯০ সেমি (২-৩ ফুট) | পরিপক্ক গাছের উচ্চতা (Mature Height): ৮-১১ মিটার| উৎপত্তি (Origin): ভারতের অন্ধ্র প্রদেশ

বাংলাদেশের আবহাওয়ার জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি অত্যন্ত মূল্যবান, বিরল ও ঔষধি গুণসম্পন্ন কাঠের গাছ। লাল চন্দন তার গাঢ় লাল কাঠ, ঔষধি গুণ ও আর্থিক মূল্যের জন্য সারা বিশ্বে পরিচিত।

লাল চন্দনের বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা | Features & Benefits of Red Sandalwood

লাল চন্দন (Pterocarpus santalinus) একটি মাঝারি আকারের চিরহরিৎ বৃক্ষ, যা তার অত্যন্ত মূল্যবান ও গাঢ় লাল কাঠের জন্য বিখ্যাত। এটি মূলত ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের স্থানীয় প্রজাতি। এই গাছের কাঠ শুধু তার সৌন্দর্যের জন্যই নয়, বরং এর অসাধারণ ঔষধি ও প্রসাধনী গুণের জন্যও অত্যন্ত জনপ্রিয়।

🌳 অত্যন্ত মূল্যবান ও বিরল কাঠ

লাল চন্দনের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর গাঢ় লাল, মজবুত ও টেকসই কাঠ এই কাঠ আসবাবপত্র, বাদ্যযন্ত্র, খোদাই ও নানা ধরনের শিল্পকর্ম তৈরিতে ব্যবহৃত হয়। এর বিরলতা ও চাহিদার কারণে এটি অত্যন্ত উচ্চমূল্যের অধিকারী।

🧬 ঔষধি ও প্রসাধনী গুণে ভরপুর

লাল চন্দনের কাঠ ও গুঁড়োতে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি গুণ রয়েছে। এটি জ্বর, ব্যথা, ফোলা ও ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। এর গুঁড়ো ফেসপ্যাক হিসেবে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে এবং ব্রণ দূর করতে অত্যন্ত কার্যকরী।

💰 বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগগত গুরুত্ব

লাল চন্দন অত্যন্ত লাভজনক একটি গাছ। একটি পরিপক্ক গাছের ওজন ১ থেকে ১.৫ টন হতে পারেএবং প্রতি কেজি কাঠের দাম প্রায় ১২,০০০-১৩,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। সঠিক পরিচর্যায় এই গাছ দীর্ঘমেয়াদে অত্যন্ত মুনাফাজনক একটি বিনিয়োগ।

বাংলাদেশের আবহাওয়ায় লাল চন্দন চাষের সম্ভাবনা | Cultivation Potential in Bangladesh

বাংলাদেশের আবহাওয়া লাল চন্দন চাষের জন্য উপযোগী। টাঙ্গাইলের মধুপুর বনাঞ্চলে ইতিমধ্যে একটি বিরল প্রজাতির লাল চন্দন গাছের সন্ধান পাওয়া গেছে, যা প্রমাণ করে যে এই গাছ বাংলাদেশের মাটিতে জন্মাতে পারে। সঠিক পরিচর্যা ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মাধ্যমে এটি একটি অত্যন্ত লাভজনক ফসল হতে পারে।

কীভাবে লাল চন্দন গাছ লাগাবেন ও যত্ন নেবেন | How to Plant and Care for Red Sandalwood Tree

১. উপযুক্ত সময় ও স্থান

চারা লাগানোর আদর্শ সময় বর্ষার শুরু। লাল চন্দন গাছ পূর্ণ রোদে সবচেয়ে ভালো জন্মে। এটি বেলে-দোয়াশ, দোয়াশ ও কাঁকরযুক্ত লাল মাটিতে ভালো হয়।

২. মাটি ও রোপণ পদ্ধতি

মাটি (Soil): সুনিষ্কাশিত উর্বর মাটি লাল চন্দনের জন্য উত্তম।

গর্ত ও সার (Pit & Fertilizer): ২x২x২ ফুট গর্ত করে তাতে ১০-১৫ কেজি পচা গোবর, ৫০০ গ্রাম ছাই, ১০০ গ্রাম টিএসপি ও ৫০ গ্রাম এমওপি মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

হোস্ট গাছ (Host Tree): চন্দন গাছ একটি পরজীবী প্রকৃতির গাছ, যা পুষ্টির জন্য অন্য গাছের (হোস্ট গাছ) উপর নির্ভরশীল। ভালো ফলনের জন্য এটির পাশে একটি হোস্ট গাছ (যেমন কাশ্মারী বা বাবলা) লাগানো প্রয়োজন。

দূরত্ব (Spacing): জমিতে লাগালে ৮-১০ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন। টবের জন্য ২০-২২ ইঞ্চি ব্যাসের বড় টব ব্যবহার করুন।

৩. পরিচর্যা, সেচ ও ছাঁটাই

পানি সেচ (Watering): গাছ একবার প্রতিষ্ঠিত হলে এটি খরা সহনশীল। তবে শুষ্ক মৌসুমে নিয়মিত পানি দিন। বর্ষাকালে পানি জমতে দেবেন না।

ছাঁটাই (Pruning): শুকনো ও রোগাক্রান্ত ডালপালা ছাঁটাই করুন। গাছের আকৃতি ঠিক রাখতে ছাঁটাই জরুরি।

সার প্রয়োগ (Fertilizer): বছরে ২ বার (বসন্ত ও বর্ষায়) জৈব সার ও সুষম NPK সার প্রয়োগ করুন।

৪. টবে লাল চন্দন চাষ (ছাদ বাগান)

টবের আকার (Pot Size): ২০-২২ ইঞ্চি ব্যাসের বড় টব বা ড্রাম ব্যবহার করুন। টবের নিচে ড্রেনেজের জন্য ছিদ্র থাকা জরুরি।

মাটির মিশ্রণ (Soil Mix): ২ অংশ দো-আঁশ মাটি, ১ অংশ কোকোপিট ও ১ অংশ জৈব কম্পোস্ট মিশিয়ে ব্যবহার করুন। একটি ছোট হোস্ট গাছও টবের সাথে লাগান।

৫. পরিপক্কতা ও কাঠ সংগ্রহ

লাল চন্দন একটি ধীরে বর্ধনশীল গাছ। এর কাঠ সংগ্রহ করতে সাধারণত ১০-১৫ বছর সময় লাগে। ধৈর্য ধরে সঠিক পরিচর্যা করলে এই গাছ অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদে পরিণত হয়।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন: লাল চন্দন গাছের আর কী কী নাম আছে?

উত্তর: লাল চন্দন ‘রক্ত চন্দন’ বা ‘রেড স্যান্ডার্স’ (Red Sanders) নামেও পরিচিত। বৈজ্ঞানিক নাম Pterocarpus santalinus।

প্রশ্ন: লাল চন্দন গাছের কাঠের দাম কত?

উত্তর: লাল চন্দন অত্যন্ত মূল্যবান একটি কাঠ। বাংলাদেশে প্রতি কেজি লাল চন্দন কাঠের দাম প্রায় ১২,০০০-১৩,০০০ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। আন্তর্জাতিক বাজারে এর দাম আরও অনেক বেশি।

প্রশ্ন: লাল চন্দন গাছ লাগানোর কত বছর পর কাঠ পাওয়া যায়?

উত্তর: লাল চন্দন একটি ধীরে বর্ধনশীল গাছ। সাধারণত চারা লাগানোর ১০-১৫ বছর পর এর কাঠ সংগ্রহ করা যায়।

প্রশ্ন: লাল চন্দন গাছের জন্য ‘হোস্ট গাছ’ কেন প্রয়োজন?

উত্তর: লাল চন্দন একটি আংশিক পরজীবী গাছ। এর নিজস্ব মূল পুষ্টি সংগ্রহের জন্য পর্যাপ্ত নয়, তাই এটি তার পাশের অন্য গাছের (হোস্ট গাছ) শিকড় থেকে পুষ্টি শোষণ করে। ভালো বৃদ্ধির জন্য এটির পাশে একটি হোস্ট গাছ (যেমন কাশ্মারী বা বাবলা) লাগানো আবশ্যক।

প্রশ্ন: টবে লাল চন্দন গাছ লাগানো যাবে কি?

উত্তর: অবশ্যই, ২০-২২ ইঞ্চি বড় সাইজের টব ও সুনিষ্কাশিত মাটি ব্যবহার করলে ছাদ বা বারান্দার টবেও লাল চন্দন গাছ লাগানো যায়। তবে টবে একটি ছোট হোস্ট গাছও লাগাতে হবে।

প্রশ্ন: কেন অনলাইনে Plant in BD থেকে গাছ কিনবেন?

উত্তর: আমরা উন্নত মানের, রোগমুক্ত ও সবল চারা সরবরাহ করি এবং সারা বাংলাদেশে নিরাপদ হোম ডেলিভারি নিশ্চিত করি। অর্ডার করতে এখনই ‘কার্টে যোগ করুন’ বাটনে ক্লিক করুন।

🔥 এখনই অর্ডার করুন এবং আপনার বাগানে আনার জন্য এনে দিন অত্যন্ত মূল্যবান ও বিরল লাল চন্দন গাছ। স্টক সীমিত!

Reviews

0 reviews
0
0
0
0
0

There are no reviews yet.

Be the first to review “Red Sandalwood Tree লাল চন্দন গাছ”

Your email address will not be published. Required fields are marked *