Red Dragon Fruit Plant লাল ড্রাগন ফল গাছ

280.00৳ 

Details:

ক্যাকটাস জাতীয় লাল ড্রাগন ফল গাছের চারা। উজ্জ্বল লাল খোসা ও মিষ্টি স্বাদের এই ফলে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি-এর ভাণ্ডার। টবে ও ছাদবাগানে ফলানোর জন্য অত্যন্ত উপযোগী। ফ্রি রিপ্লেসমেন্ট ও সারা দেশে হোম ডেলিভারি।

Description

লাল ড্রাগন ফল গাছ (পিতায়া) – Hylocereus undatus

বৈজ্ঞানিক নাম (Scientific Name): Hylocereus undatus | পরিবার (Family): Cactaceae (ক্যাকটাস পরিবার) | অন্যান্য নাম (Other Names): ড্রাগন ফল, পিতায়া, স্ট্রবেরি নাশপাতি, Dragon Fruit, Pitaya | চারার উচ্চতা (Plant Height): ৪০-৬০ সেমি (১.৫-২ ফুট) | পরিপক্ক গাছের উচ্চতা (Mature Height): ৬-৯ ফুট (টবে ছোট রাখা যায়) | ফল ধরার সময় (Fruiting Time): ১-২ বছর (কাটিং) | উৎপত্তি (Origin): মেক্সিকো ও মধ্য আমেরিকা

বাংলাদেশের আবহাওয়ার জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি দ্রুত বর্ধনশীল, কম পরিচর্যায় উচ্চ ফলনশীল ও অর্থকরী বিদেশি ফল। এই ক্যাকটাস প্রজাতির গাছটি একবার লাগালে ২০-২৫ বছর পর্যন্ত ফলন দিতে থাকে।

লাল ড্রাগন ফলের বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা | Features & Benefits of Red Dragon Fruit

লাল ড্রাগন ফল দেখতে অত্যন্ত আকর্ষণীয়, এর খোসা উজ্জ্বল লাল ও ভেতরের শাঁস সাদা বা গোলাপি রঙের হয় এবং এতে অসংখ্য ছোট কালো বীজ থাকে, যা খেতে ক্রাঞ্চি অনুভূতি দেয়। স্বাদে এটি মিষ্টি ও রসালো। বর্তমানে এটি বাংলাদেশের ছাদবাগান ও বাণিজ্যিক চাষে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।

🐉 অনন্য স্বাদ ও গঠন

ফলের বাইরের খোসা লাল ও ভেতরের শাঁস সাদা বা গোলাপি রঙের হয় এবং এতে অসংখ্য ছোট কালো বীজ থাকে। ফলের ওজন ৩০০-৬০০ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে ।

🧬 ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর

ড্রাগন ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি, বি১, বি২, বি৩, ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং কোষকে ফ্রি র্যাডিকেলের ক্ষতি থেকে রক্ষা করে।

🩸 ডায়াবেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

এটি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়।

💪 হজমশক্তি বাড়ায় ও ওজন কমাতে সহায়ক

উচ্চ মাত্রার ফাইবার থাকায় এটি হজমে সহায়তা করে, কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং কম ক্যালোরির কারণে ওজন কমাতেও ভূমিকা রাখে ।

✨ ত্বক ও চুলের যত্নে

এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও ভিটামিন সি ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়ায়, বয়সের ছাপ কমায় এবং চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।

বাংলাদেশের আবহাওয়ায় ড্রাগন ফল চাষের সম্ভাবনা | Cultivation Potential in Bangladesh

বাংলাদেশের উষ্ণ, আর্দ্র ও ক্রান্তীয় আবহাওয়া ড্রাগন ফল চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। দিনাজপুর, নওগাঁ, রাজশাহী, যশোর, মৌলভীবাজারসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এর চাষ সফল হয়েছে। বর্তমানে রাজশাহীর প্রায় সব উপজেলাতেই ড্রাগন ফল চাষ হচ্ছে এবং নগরবাসীও এটি শখের বসে ছাদবাগানে লাগাচ্ছেন।

কীভাবে লাল ড্রাগন ফল গাছ লাগাবেন ও যত্ন নেবেন | How to Plant and Care for Red Dragon Fruit Plant

১. উপযুক্ত সময় ও স্থান

চারা লাগানোর আদর্শ সময় জুন থেকে জুলাই বা ফেব্রুয়ারি থেকে মার্চ মাস। ড্রাগন ফল রোদের গাছ হওয়ায় দিনে কমপক্ষে ৬-৮ ঘণ্টা সরাসরি সূর্যালোক নিশ্চিত করুন। ছাদ বা বারান্দায় যেখানে পর্যাপ্ত রোদ পড়ে সেখানে গাছটি রাখুন।

২. চারা সংগ্রহ ও রোপণ পদ্ধতি

চারার ধরন: ড্রাগন ফলের চারা কাটিং বা টিস্যু কালচার পদ্ধতিতে তৈরি করা হয়। উন্নত মানের কাটিং দ্রুত ফল দিয়ে থাকে।

মাটি (Soil): পানি নিষ্কাশন ক্ষমতা সম্পন্ন উর্বর দো-আঁশ ও বেলে-দো-আঁশ মাটি ড্রাগন ফলের জন্য উত্তম। মাটির pH ৫.৫-৬.৫ হলে ভালো হয় ।

গর্ত ও সার (Pit & Fertilizer): ২x২x২ ফুট গর্ত করে তাতে ১০ কেজি পচা গোবর, ৫০ গ্রাম টিএসপি ও ২০ গ্রাম এমওপি মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন।

খুঁটি ও রিং ব্যবস্থা (Support System): গাছকে খাড়া রাখতে ৫-৬ ফুট লম্বা কংক্রিট বা বাঁশের খুঁটি ব্যবহার করুন। উপরের দিকে একটি রিং লাগিয়ে গাছের ডালপালাগুলো ছড়িয়ে দিন।

দূরত্ব (Spacing): জমিতে লাগালে প্রতিটি গাছের মাঝে ৬x৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখুন। টবের জন্য কমপক্ষে ২০ ইঞ্চি ব্যাসের টব বা হাফ ড্রাম ব্যবহার করুন।

৩. পরিচর্যা, সেচ ও ছাঁটাই

পানি সেচ (Watering): ড্রাগন গাছ ক্যাকটাস প্রজাতির হওয়ায় এতে পানির চাহিদা তুলনামূলকভাবে কম। শুষ্ক মৌসুমে ৭-১০ দিন পরপর সেচ দিলেই যথেষ্ট। টবে রাখলে মাটি সম্পূর্ণ শুকিয়ে গেলে তবেই পানি দিতে হবে।

ছাঁটাই (Pruning): ফল সংগ্রহের পর পুরনো ডাল কেটে দিতে হবে। এতে নতুন ডাল আসে এবং বেশি ফল ধরে ।

সার প্রয়োগ (Fertilizer): বছরে ২ বার (ফেব্রুয়ারি-মার্চ ও আগস্ট-সেপ্টেম্বর) সার প্রয়োগ করুন। গাছের বয়স অনুযায়ী জৈব সার ও সুষম NPK সার ব্যবহার করা যেতে পারে।

৪. টবে ড্রাগন ফল চাষ (ছাদ বাগান)

টবের আকার (Pot Size): কমপক্ষে ২০ ইঞ্চি ব্যাসের টব বা হাফ ড্রাম ব্যবহার করুন। টবের নিচে ড্রেনেজের জন্য পর্যাপ্ত ছিদ্র থাকা জরুরি।

মাটির মিশ্রণ (Soil Mix): ২ অংশ দো-আঁশ মাটি, ১ অংশ কোকোপিট ও ১ অংশ জৈব কম্পোস্ট মিশিয়ে ব্যবহার করুন।

৫. ফল সংগ্রহ ও ফলন

কাটিং লাগানোর ১-১.৫ বছরের মধ্যেই ফল দেওয়া শুরু করে । ফুল আসার ২৫-৩০ দিনের মধ্যে ফল পাকে। একটি পূর্ণবয়স্ক গাছ থেকে ভালো পরিচর্যায় বছরে ২০-৩০টি পর্যন্ত ফলন পাওয়া সম্ভব। ফলের ওজন ৩০০-৬০০ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে ।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন: ড্রাগন ফল গাছ লাগানোর কত বছর পর ফল পাওয়া যায়?

উত্তর: উন্নত মানের কাটিং লাগানোর ১-১.৫ বছরের মধ্যেই ফল দেওয়া শুরু করে । গাছের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ফলের সংখ্যাও বাড়তে থাকে।

প্রশ্ন: টবে ড্রাগন ফল গাছ লাগানো যাবে কি?

উত্তর: অবশ্যই, ২০ ইঞ্চি বা তার চেয়ে বড় সাইজের টব ও সুনিষ্কাশিত মাটি ব্যবহার করলে ছাদ বা বারান্দার টবেও ড্রাগন ফল গাছ ফলানো সম্ভব। বর্তমানে দেশে টবে ড্রাগন ফল চাষ খুবই জনপ্রিয়।

প্রশ্ন: ড্রাগন ফলের কোন জাত টবের জন্য ভালো?

উত্তর: লাল শাঁস ও সাদা শাঁস উভয় জাতই টব ও ছাদবাগানের জন্য উপযোগী। টবে স্ব-পরাগায়িত জাত নির্বাচন করলে ভালো ফলন পাওয়া যায়।

প্রশ্ন: ড্রাগন ফলের বাজারে দাম কত?

উত্তর: বর্তমানে বাজারে ড্রাগন ফলের দাম আকার ও মানভেদে ১৫০-৩০০ টাকা কেজি পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। জৈব ড্রাগন ফলের দাম আরও বেশি, ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি পর্যন্ত হতে পারে।

প্রশ্ন: কেন অনলাইনে Plant in BD থেকে গাছ কিনবেন?

উত্তর: আমরা উন্নত মানের, রোগমুক্ত ও কাটিং চারা সরবরাহ করি এবং সারা বাংলাদেশে নিরাপদ হোম ডেলিভারি নিশ্চিত করি।

🔥 এখনই অর্ডার করুন এবং আপনার ছাদবাগানে আনার জন্য এনে দিন পুষ্টিগুণে ভরপুর ও অর্থকরী লাল ড্রাগন ফল।

Reviews

0 reviews
0
0
0
0
0

There are no reviews yet.

Be the first to review “Red Dragon Fruit Plant লাল ড্রাগন ফল গাছ”

Your email address will not be published. Required fields are marked *