এপ্রিকট ফল গাছ / Apricot Fruit Tree Plant

1,360.00৳ 

Details:

মিষ্টি-টক স্বাদের বিদেশি ফল এপ্রিকটের চারা। ভিটামিন ও এন্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর এই গাছ বাংলাদেশের শীতপ্রধান অঞ্চলে বা ছাদে টবেও ফলানোর সম্ভাবনা রয়েছে। সারা দেশে হোম ডেলিভারি।

Description

এপ্রিকট ফল গাছ (Apricot Fruit Tree Plant)

বৈজ্ঞানিক নাম (Scientific Name): Prunus armeniaca | পরিবার (Family): Rosaceae | চারার উচ্চতা (Plant Height): ২-৪ ফুট | পরিপক্ক গাছের উচ্চতা (Mature Height): ১৫-২০ ফুট | উৎপত্তি (Origin): মধ্য এশিয়া ও আর্মেনিয়া

বাংলাদেশের শীতপ্রধান অঞ্চলের জন্য অত্যন্ত উপযোগী একটি বিদেশি ফল গাছ।

এপ্রিকট ফলের বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা | Features & Benefits of Apricot

  • 🍑 অনন্য স্বাদ ও গঠন: এই ফল দেখতে অনেকটা ছোট পীচ বা প্লামের মতো, মখমলের মতো ত্বক ও মিষ্টি-টক স্বাদের জন্য বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয়।
  • 🧬 পুষ্টিগুণে ভরপুর: ভিটামিন A, C, ফাইবার ও পটাশিয়ামের চমৎকার উৎস। ১০০ গ্রাম এপ্রিকটে দৈনিক চাহিদার ৯৬% ভিটামিন A এবং ১২% ভিটামিন C থাকে।
  • 🛡️ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: বিটা-ক্যারোটিন ও ফ্ল্যাভোনয়েড জাতীয় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
  • ❤️ হৃদযন্ত্র ও হজমশক্তির জন্য ভালো: পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে এবং আঁশ (Fiber) হজমশক্তি উন্নত করে ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
  • 💰 বাণিজ্যিকভাবে লাভজনক: শুকনো এপ্রিকটের বিশ্ববাজারে প্রচুর চাহিদা রয়েছে, যা এটিকে কৃষকদের জন্য একটি লাভজনক ফসল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

কীভাবে এপ্রিকট গাছ লাগাবেন ও যত্ন নেবেন | How to Plant and Care for Apricot Tree

১. উপযুক্ত সময় ও স্থান | Climate and Location

এপ্রিকট গাছ পূর্ণ রোদ পছন্দ করে, তাই দিনে কমপক্ষে ৬-৮ ঘন্টা সরাসরি সূর্যালোক নিশ্চিত করা জরুরি। যদিও এটি নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের গাছ, বাংলাদেশের শীতপ্রধান অঞ্চল যেমন শ্রীমঙ্গল, পঞ্চগড় বা রাঙ্গামাটির উঁচু এলাকায় সীমিত পরিসরে চাষ করা সম্ভব।

২. মাটি ও রোপণ পদ্ধতি | Soil and Planting Method

মাটি (Soil): পানি নিষ্কাশন ক্ষমতা সম্পন্ন বেলে-দোআঁশ মাটি যার pH মাত্রা ৬.০ থেকে ৭.৫-এর মধ্যে, এপ্রিকট চাষের জন্য উত্তম। গর্ত ও সার (Pit & Fertilizer): ২-৩ ফুট গভীর ও চওড়া গর্ত করে তাতে পচা গোবর, টিএসপি ও এমওপি মাটির সাথে মিশিয়ে নিন। দূরত্ব (Spacing): গাছের স্বাস্থ্যকর বৃদ্ধির জন্য ৬-৮ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন।

৩. পরিচর্যা ও ছাঁটাই | Care and Pruning

পানি সেচ (Watering): গাছ লাগানোর পর নিয়মিত পানি দিন। মাটি সবসময় স্যাঁতসেঁতে রাখুন কিন্তু পানি জমতে দেবেন না।
ছাঁটাই (Pruning): শীতের শেষে বা বসন্তের শুরুতে গাছের রোগা, মরা ও ঘন ডালপালা ছেঁটে দিতে হবে। সার (Fertilizer): বসন্ত ও গ্রীষ্মের মাঝামাঝি সময়ে সুষম NPK সার প্রয়োগ করুন।

৪. টবে এপ্রিকট চাষ (ছাদ বাগান) | Rooftop Gardening

টবের আকার (Pot Size): কমপক্ষে ২২-২৪ ইঞ্চি ব্যাস এবং ২০ ইঞ্চি গভীরতা সম্পন্ন টব ব্যবহার করুন। মাটির মিশ্রণ (Soil Mix): ১ অংশ মাটি, ১ অংশ কোকোপিট ও ১ অংশ জৈব কম্পোস্ট মিশিয়ে ব্যবহার করুন। নিয়মিত ছাঁটাই করে গাছের আকার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন: এপ্রিকট গাছ লাগানোর কত বছর পর ফল পাওয়া যায়?

উত্তর: আমাদের উন্নত মানের কলম করা চারা লাগানোর ২-৩ বছরের মধ্যেই ফল দেওয়া শুরু করে। তবে ভালো ফলন পেতে ৪র্থ বা ৫ম বছর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে।

প্রশ্ন: বাংলাদেশের আবহাওয়ায় কি এপ্রিকট ফলানো সম্ভব?

উত্তর: এটি একটি চ্যালেঞ্জিং হলেও অসম্ভব নয়। সঠিক পরিচর্যা ও শীতপ্রধান অঞ্চলে এটি চাষ সম্ভব。 তবে, বাংলাদেশের উষ্ণ ও আর্দ্র আবহাওয়ায় ফলনের পরিমাণ কম হতে পারে।

প্রশ্ন: টবে এপ্রিকট গাছ লাগানো যাবে কি?

উত্তর: অবশ্যই, বড় সাইজের টব ব্যবহার করলে (২২-২৪ ইঞ্চি) ছাদ বা বারান্দার টবেও খুব সহজেই এপ্রিকট গাছ ফলানো সম্ভব। নিয়মিত পরিচর্যা ও ছাঁটাইয়ের মাধ্যমে গাছের আকার নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

প্রশ্ন: কেন অনলাইনে Plant in BD থেকে গাছ কিনবেন?

উত্তর: আমরা উন্নত মানের, রোগমুক্ত ও টিকা দেওয়া চারা সরবরাহ করি এবং সারা বাংলাদেশে নিরাপদ হোম ডেলিভারি নিশ্চিত করি। পথিমধ্যে গাছ নষ্ট হয়ে গেলে বিনামূল্যে রিপ্লেসমেন্ট দেওয়া হয়।

🔥 এখনই অর্ডার করুন এবং আপনার বাগানে আনার জন্য এনে দিন অনন্য স্বাদের এপ্রিকট ফল। স্টক সীমিত!

Reviews

0 reviews
0
0
0
0
0

There are no reviews yet.

Be the first to review “এপ্রিকট ফল গাছ / Apricot Fruit Tree Plant”

Your email address will not be published. Required fields are marked *